Home
 
রুচিরা বেকারীর নামে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদ
পরিবেশন করায় রিপোর্টাস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

আজকের কলারোয়া - 12/08/2016
আমি দীর্ঘ ১১ বছর যাবত কলারোয়া পৌর সদরের ঝিকরা এলাকায় অতি সুনামের সাথে বেকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছি। বর্তমানে আমার বেকারীতে ২৫ জন কর্মচারী কাজ করে তাদের পরিবার নিয়ে জীবন যাপন করছে। আমার বেকারীর সুনাম নষ্ট করার জন্য একটি মহল অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গতকাল শুক্রবার কলারোয়া রিপোর্টাস ক্লাবে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার রুচিরা বেকারীর মালিক শেখ তৈয়ব আলী এ সব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, গত ১০ আগষ্ট যশোর থেকে প্রকাশিত ২টি পত্রিকায় ‘কলারোয়ায় রুচিরা বেকারীর কেক খেয়ে ৯জন অসুস্থ্য’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন বলে দাবি করে বলেন, লিখিত সংবাদে গুড়ো কেকের কথা বলা হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে কলারোয়ার সকল বেকারীতে কেক ও বিস্কুটের গুড়ো মাছের খাদ্য হিসেবে ২০ টাকা কেজি দরে মাছ চাষীদের নিকট বিক্রি করে থাকে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তবে তিনি আরো বলেন, গত ৫ আগষ্ট উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামে স্থানীয় একটি দোকান থেকে গুড়ো কেক ক্রয় করে তার মধ্যে পোকা জাতীয় কোন কিছু আছে এমন তথ্য প্রচার করে এবং আমার বেকারীর নাম না থাকা সত্তেও ঔ স্বার্থনেষী মহল আমার বেকারীর সুনাম নষ্ট করার জন্য কয়েকজন সাংবাদিক ভাইদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করে সংবাদ পরিবেশন করান। এমনকি তারা আমার নিকট টাকা দাবি করে, পরে আমি টাকা দিতে রাজী না হওয়ায় উক্ত মহল আমার প্রতিষ্ঠানের নামে কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট মিথ্যা তথ্য দিয়ে অভিযোগ করেছে বলে আমি ঘটনাটি জানতে পারি। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমার বেকারী প্রতিষ্ঠান মান সম্মত হওয়ায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডর্ডস এন্ড টেষ্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই) থেকে সনদ প্রদান করে যার নং-২০১৫/৯৭২ এছাড়া (বাংলাদেশ বিশুদ্ধ খাদ্য আইন ১৯৬৭ এর (৩) এবং অধ্যাদেশ (সংশোধিত-২০০৫) এর ২১ (২) ধারার ক্ষমতাবলে প্রদত্ত) ‘প্রিমিসেস লাইসেন্স নং-০৩ প্রদান করিয়াছে এবং কলারোয়া পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স যার নং-৬২৪ প্রদান করিয়াছে। আমি আমার বেকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সরকারের সকল নিয়ম মেনে পরিচালনা করে আসছি। তারপরও আমার প্রতিষ্ঠানের সুনামের কারনে আমার নিকট টাকা দাবি করা স্বার্থনেশী মহল উক্ত ঘটনার সাথে আমার প্রতিষ্ঠানের কোন কাগজ বা সিল না থাকলেও তারা আমার বেকারীর নাম প্রচার করে মিথ্য তথ্য দিয়ে সাংবাদিক ভাইদের ভুল তথ্য সরবরাহ করেছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এ ঘটনার কারনে আমার বেকারী প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে এবং আমি আর্থিক ভাবে চরম ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছি। তিনি আরো বলেন, আমার বেকারী প্রতিষ্ঠান যেন সুনামের সাথে চালাতে পারি সে জন্য উপজেলার কর্মরত সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে কলারোয়া উপজেলা প্রশাসনের নিকট সহযোগিতা কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, কলারোয়া পৌর সদরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গিফট কর্নারের মালিক কাজী শাহিন, এম রুচিরা বেকারীর মালিক মোশারফ হোসেন, সুমন বেকারীর মালিক সাদ্দাম হোসেন, শেখ ষ্টোর এর মালিক আক্তারুল ইসলামসহ কলারোয়া বাজারের ৪৫/৫০ জন ব্যবসায়ীরা।


 



গন্তব্য কলারোয়া    
Product Image Product Image


 
    
Copyright : Kalaroa.com, 2019
Email : info@kalaroa.com